Home EMERGENCY STATE BREAKING NEWS — ...

BREAKING NEWS — লাদাখে চীন–ভারত টক্কর কি অনেক দূর গড়াবে ?

4094
0

EMERGENCY STATE

আনন্দ মুখোপাধ্যায় ::স্পট নিউজ :: ১৮ই,জুন :: নয়াদিল্লি ::

ভারত ও চীন। দুই দেশই পারমাণবিক শক্তিধর। এই দুই দেশের মধ্যে সম্প্রতি সীমান্তবিরোধ নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে। গত সোমবার রাতে সংঘর্ষে ১ জন কর্নেলসহ ২০ ভারতীয় জওয়ান নিহত হয়েছেন। রক্তক্ষয়ী এই সংঘর্ষ সম্প্রসারণবাদী জাতীয়তাবাদের বিপদকে সমনে এনেছে।

কাশ্মীরের লাদাখ এলাকার সীমান্তে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। চীনও এ নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। তবে কোনো হতাহতের খবর উল্লেখ করেনি। আর এই সংঘর্ষের ঘটনার দায় চাপিয়েছে ভারতের ওপর। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, চীনে এমন হতাহতের তথ্য প্রকাশ হতে বেশ সময় লাগে। কারণ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব তথ্য নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এসব কারণে তথ্যের জন্য ভারতের সংবাদ মাধ্যমই একমাত্র উৎস ।

১৯৬২ সালের ওই যুদ্ধের পর দুই দেশের সীমান্তের মধ্যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা লাইন অফ একচুয়াল কন্ট্রোল (এলএসি) ঠিক হয়। দুই পক্ষ সম্মত হয়েছিল যে তারা সীমান্তে আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়া টহল দেবে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ের সংঘর্ষের ঘটনা একটি বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এমন সংঘর্ষের ঘটনা আরও ঘটতে পারে।

কয়েক দশক ধরে সীমান্তবর্তী এলাকায় পরিকাঠামো নির্মাণ বাড়িয়েছে চীন। কিন্তু চীন চেষ্টা করছে ভারতকে এই পথ থেকে সরিয়ে দিতে। গত মে মাস থেকে চীনা সেনাদের এই চেষ্টা চোখে পড়ার মতো। লাদাখের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ব্রুকিংস ইনস্টিটিউটের ‘ইন্ডিয়া প্রজেক্টের’ পরিচালক তানভি মাদান বলেন, এ ধরনের এলাকা নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন। ব্যাপারটা এমন নয় যে এমন ঘটনা শুধু তাৎক্ষণিকভাবে ঘটেছে। এটা নিয়ে চীনের ঊর্ধ্বতন মহল থেকে নির্দেশনা এসেছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) নিরাপত্তা অধ্যয়নের অধ্যাপক ভিপিন নারাংয়ের মতে, ভারতের সংবাদ মাধ্যম তুলনামূলক স্বাধীন। এ অবস্থায় জাতীয়তাবাদীদের দিক থেকে এক ধরনের চাপ আছে প্রতিশোধ নেওয়ার বিষয়ে। ফলে খুব সহজে এই উত্তেজনা কমিয়ে আনা কঠিন হবে ভারতের জন্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here