Home INTERNATIONAL লন্ডনে বসেই মনিপুরের জন্য এক স্বাধীন সার্বভৌম সরকার ‘দ্য মণিপুর স্টেট কাউন্সিল’...

লন্ডনে বসেই মনিপুরের জন্য এক স্বাধীন সার্বভৌম সরকার ‘দ্য মণিপুর স্টেট কাউন্সিল’ এর ঘোষণা করলো এক দেশদ্রোহী গোষ্ঠী !

79
0

আনন্দ মুখোপাধ্যায় :: স্পট নিউজ লাইভ :: ৩১শে,অক্টবর :: নয়াদিল্লি :: লন্ডনে গতকাল মণিপুর রাজ্যের স্বাধীনতা ঘোষণা করে একটি প্রবাসী সরকার গঠন করা হয়েছে।ব্রিটিশ যুক্তরাজ্যের লন্ডনে সংবাদ সম্মেলন করে এই ঘোষণা করা হয়েছে। শুরুতে তাতে মণিপুর রাজ্যের প্রাক্তন মহারাজার সংশ্লিষ্টতার কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু এর পরপরই এক ভিডিও বার্তায় এমন কাজের সঙ্গে নিজের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন প্রাক্তন মহারাজা লেইশেম্বা সানাজাওবা।

হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই খবর জানানো হয়েছে। এদিনই মণিপুরের প্রাক্তন মহারাজা এক ভিডিও বার্তায় প্রবাসী সরকারের সঙ্গে নিজের দূরত্বের কথা ঘোষণা করেছেন। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, প্রবাসী সরকার গঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইয়ামবেন বীরেন ও নরেংবাম সমরজিতের অনুরোধে কিছু নথিপত্রে তিনি স্বাক্ষর করেছিলেন। কিছু গবেষণার কাজের অনুমতির জন্য ওই নথিপত্রে স্বাক্ষরের প্রয়োজন ছিল বলে জানিয়েছিলেন বীরেন ও সমরজিৎ। এর বেশি কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন মণিপুরের প্রাক্তন মহারাজা।

লন্ডনে মণিপুরের প্রবাসী সরকার গঠনের দাবি করেছেন বীরেন ও সমরজিৎ। বীরেন নিজেকে এই প্রবাসী সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ও সমরজিৎ নিজেকে পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দাবি করছেন। প্রবাসী সরকারের নাম দেওয়া হয়েছে ‘দ্য মণিপুর স্টেট কাউন্সিল’।

প্রাক্তন মহারাজা লেইশেম্বা সানাজাওবা বলেছেন, এ ঘটনার খবর শুনে তিনি স্তম্ভিত এবং বিস্মিত হয়েছেন।

অন্যদিকে মণিপুরের প্রবাসী সরকারের জন্য সমর্থন আদায়ে বীরেন ও সমরজিৎ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছে যাবেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। প্রবাসী সরকারের জন্য সমর্থন আদায়ে পরে তাঁরা জাতিসংঘের স্বীকৃতির জন্য আবেদন করবেন বলেও জানিয়েছেন।

এই ঘটনার পর নয়াদিল্লির রাজনৈতিক মহলে এখন মোদী সরকারের সমালোচনায় মুখর \ কিছু কিছু বিরোধী রাজনৈতিক দলের দাবি যে মোদী সরকারের স্বরাষ্ট্র এবং বিদেশ নীতি প্রায় ব্যর্থতার মুখে । কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা তুলে নেবার পর সেখানে জম্মু এবং কাশ্মীরকে ভেঙে দুটুকরো করা হয়েছে । দেখা যাচ্ছে ভারতে কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চলের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে আর রাজ্যের সংখ্যাও সমহারে কমছে ।

মনিপুরের এই দাবির ওপর কেন্দ্রীয় সরকার অবিলম্বে ব্যবস্থা না নিলেই দেশ বিভাজনের সমস্যা আরও দীর্ঘায়িত হবে ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here