Home Uncategorized বাংলায় দেড় লক্ষ মানুষ গত দুদিনে হোম করেন্টাইনে গেছেন ! সেটা...

বাংলায় দেড় লক্ষ মানুষ গত দুদিনে হোম করেন্টাইনে গেছেন ! সেটা চিন্তার নয় – অশনি সংকেত অনেকেই লকডাউন মানছেনা !

4430
0

BREAKING NEWS

আনন্দ মুখোপাধ্যায় :: স্পট নিউজ :: ৩১শে মার্চ : : কোলকাতা ::

পরিসংখ্যানটা দেখলে হয়তো আচমকা বাংলার মানুষ শিউরে উঠবেন কিন্তু একটু খতিয়ে দেখলে বা পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে আমরা এখনও লক্ষণরেখার ভেতরেই আছি । তবে প্রায় সীমানার ধরে দাঁড়িয়ে ।এই যে যত মানুষ কাল আর আজ দুদিনে করেন্টাইনে গেছেন(অনেকেই হোম করেন্টাইনে) তাঁরা কিন্তু বলাযেতে পারে করোনা নিয়ে মেডিক্যাল গোয়েন্দাগিরির সাফল্য । কারণ ঐযে আক্রান্ত যিনি দিল্লি থেকে এসে ট্রেনে উত্তর ২৪ পরগনা দিয়ে নদিয়ায় ঢোকেন এবং তাঁর আত্মীয়রা দিল্লি থেকে ট্রেনে ফায়ার ওদের সঙ্গে দেন, বলতে পারি কেবল ওই এক ক্ষেত্রেই সংস্পর্শে আসা ৪৯ জন ব্যক্তিকে করেন্টাইনে রাখা হয়েছে ।

আজ যে ভদ্রলোক বেলঘরিয়ার রথতলায় ফাস্ট ফুডের দোকানের মালিক তিনি গুরুতর ভাবে আক্রান্ত হয়ে ভেন্টিলেশনে বেলঘরিয়ার জেনিথ নার্সিং হোম রয়েছেন। আমরা আশা করবো তিনিও আগের আক্রান্তদের মধ্যে যেমন তিনজন সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিনিও কালক্রমে সুস্থ হয়ে উঠবেন । স্বভাবতই ওই ফাস্টফুড সেন্টারের পরিজনেরা বা আশেপাশের কিছু মানুষকে অবশ্যই করেন্টাইনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে । আমরা সঠিক বলতে পারবোনা কারণ সেই তথ্য আমাদের কাছে নেই কিন্তু এটুকু নিশ্চিত করেই বলা যায় যে সেই সংখ্যাটা নেহাত কম হবেনা ।

কিছুক্ষন আগে পর্যন্ত তাঁর সংক্রমণের গতিপথ নিয়ে ধন্দে ছিল চিকিৎসক মহল কারণ কোন সংস্পর্শ ছাড়াই যদি সংক্রমণ হয়ে থাকে সেটা কিন্তু আমাদের পক্ষে একটা ভয়াবহ বার্তা হতে পারতো । কিন্তু স্বস্তি এটুকু জেনেই যে তিনি তাঁর শ্যালক যিনি সম্প্রতি মুম্বাই থেকে ফিরেছিলেন সম্ভবত তাঁর স্পর্শেই হয়তো ওই আক্রান্ত ব্যক্তি সংক্রমিত হয়েছেন ।কলকাতার কিছু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বাবুদের মতে এখনই যে পশ্চিমবঙ্গ কমিউনিটি সংক্রমণ অর্থাৎ স্টেজ থ্রির পর্যায়ে পৌঁছে গেছে তা কিন্তু বলা যাবেনা । ডাক্তার বাবুদের মত আমাদের হাতে লড়াইয়ে করার সবথেকে শক্তিমান মিসাইল হলো লকডাউন হয়ে থাকা ।

তাই তাঁরা বারবার অনুরোধ করছেন দয়াকরে বাড়ির বাইরে যাবেন না কোনো অবস্থাতেই । আপনাদের প্রয়োজনে সরকার বারবার বলছেন পুলিশের সাহায্য নিন । রাজ্যের পুলিশ কিন্তু একেবারেই তৈরী । যদি বৃদ্ধ বৃদ্ধরা একলা থাকেন বা বাড়িতে শিশু থাকলে আপনারা পুলিশ হেল্পলাইনে ফোন করুন । মুহূর্তেই আপনার কাছে সাহায্য পৌঁছে যাবে । আছেন আপনাদের কাউন্সিলর বা অন্য রাজনৈতিক নেতারা । তাঁরা কিন্তু এই সময় দলমতের উর্দ্ধে উঠেই আপনাকে সাহায্য করবেন ।

আগামী কয়েকটি দিন খুব সচেতন ও সংযত থাকুন । নিরুপায় না হলে বাড়ির বাইরে যাবেন না । আবার ও বলছি “দের হ্যায় পর অন্ধেরা নেহি হ্যায়” । অনুশাসন মেনে চলুন । সরকারের নির্দেশ মেনে চলুন ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here