Home CHANDANNAGAR কেন চন্দননগরের ডাক্তারবাবু কোরেন্টাইনে আছেন ? কেন বন্ধ বড়বাজারের নার্সিংহোম...

কেন চন্দননগরের ডাক্তারবাবু কোরেন্টাইনে আছেন ? কেন বন্ধ বড়বাজারের নার্সিংহোম !

11566
0

BREAKING NEWS

আনন্দ মুখোপাধ্যায় :: স্পট নিউজ ::৩০শে মার্চ :: চন্দননগর ::

অবশেষে করোনা সূত্রে নাম জুড়ে গেলো চন্দননগরেরও । সূত্রের খবর ওই আক্রান্ত ব্যক্তি জানা গেছে শেওড়াফুলির বাসিন্দা । তিনি আক্রান্ত হবার আগে শেওড়াফুলির বাইরে বেশ কয়েক জায়গায় রীতিমতো যাতায়াত করেছেন । আমাদের অন্তর্তদন্তের খবর ওই ভদ্রলোক দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানায় কর্মরত ।

সূত্রের খবর আক্রান্ত ব্যক্তি দুর্গাপুরের সাগরভাঙায় একটি বেসরকারি লৌহ ইস্পাত কারখানায় অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনেরাল ম্যানেজার পদে চাকরি করতেন ৷ গত বছর তাঁর প্রোমোশন হয় ৷ পোস্টিং হয় কলকাতা অফিসে ৷ চলতি মাসের 13 তারিখ তিনি দুর্গাপুরে গিয়েছিলেন ৷ বাঁকুড়ার বড়জোড়ায় কারখানার একটি ইউনিট রয়েছে ৷ 13 তারিখ দুর্গাপুরের কাজ মিটিয়ে বড়জোড়াতেও গিয়েছিলেন ৷ রাত হয়ে যাওয়ায় সেদিন আর কলকাতা ফেরেননি । ছিলেন দুর্গাপুর স্টেশন রোডের কাছে একটি বেসরকারি হোটেলে ৷ 14 তারিখ ট্রেনে কলকাতা ফেরেন ৷

তাঁর এক আত্মীয় সম্প্রতি বিদেশ থেকে এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে ৷ 17 তারিখ ওই ব্যক্তির জ্বর হয় ৷ জ্বর নিয়েও কলকাতা অফিসে নিয়মিত যাতায়াত করেছেন ৷এরপর শরীর অসুস্থ হাওয়ায় তিনি চন্দননগর বড়বাজারের একটি নামি বেসরকারি নার্সিংহোম ভর্তি হন ।

সেখানে সূত্রের মতে তাঁর চিকিৎসা করছিলেন এক স্থানীয় ডাক্তার ( ডাক্তারবাবুর নিরাপত্তার কারণে নামটি উহ্য রাখা হলো )।

পরে সন্দেহ হয় ওই ব্যক্তি করোনা ভারাসে আক্রান্ত তাই তাঁকে চন্দননগর থেকে (বেসরকারি সূত্র মতে ) ২৮শে মার্চ বেলেঘাটা ID হাসপাতালে ভরতি করা হয় ৷ পরীক্ষার পর জানা যায় তিনি কোরোনা আক্রান্ত ৷

এরপরই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন । শুরু হয়ে যায় আদ্যোপান্ত নিরীক্ষণের পালা । কারণ তিনি ট্রেনে দুর্গাপুর যাওয়া-আসা করেছেন ৷ দুর্গাপুর ও বড়জোড়া অফিসে গিয়েছেন ৷ সেখানে কর্মীদের সঙ্গে দেখা করেছেন ৷ দুর্গাপুরের একটি হোটেলে ছিলেন ৷ জ্বর নিয়ে কলকাতা অফিসেও যাতায়াত করেছেন ৷ এই ক’দিনে কারা কারা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও রাজ্য সরকারের তরফে তার তালিকা তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে ৷

এদিকে চন্দননগরের ওই নার্সিংহোমটি সরকারি হস্তক্ষেপে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং সেখানকার কর্মীদের ওই নার্সিং হোমেই কোরেন্টাইনে রাখা হয়েছে । ডাক্তারবাবুকেও গত কাল চুঁচুড়া জেলা হাঁসপাতালে কোরেন্টাইনে পাঠানো হয় । সূত্রের মতে ওই ডাক্তারবাবুর রিপোর্ট আজ পাওয়া গেছে এবং এপর্যন্ত স্বস্তির খবর তাঁর প্রাথমিক পরীক্ষা রিপোর্ট নেগেটিভ পাওয়া গেছে । তিনি আরো ১৪ দিন আপাতত আইসোলেশনে থাকবেন এবং তারপর আবার পরীক্ষা করে রিপোর্ট নেগেটিভ হলে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলবেন শহরবাসি ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here